মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

নদ-নদী

ভূমিকাঃ পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেএে স্থল ভাগের ন্যায় নদী পথও একটি গুরুত্বপূর্ন মাধ্যম । এ উপজেলার প্রধান ও একমাএ নদী হলো তিস্তা নদী। দ্বিতীয় আর একটি শাখা ছোট নদী মানাস । উভয় নদী কাউনিয়া বাসীর সমাজ জীবনে সুখ দুঃখের ছাপ ফেলেছে ।

 

তিস্তা নদীঃ কাউনিয়া বাসির জন্য বড় গুরুত্বপূর্ন ভুমিকাপালন  করে এই তিস্তা নদী । সিকিমের পার্বত্য এলাকায় হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে তিস্তা নদী ভারতের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার ছাতনাই গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার উওর দিয়ে বা্ংলাদেশে প্রবেশ করেছে । অতঃপর রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলা্র ভিতর দিয়ে কাউনিয়া উপজেলায় প্রবেশ করেছে । উপজেলার হারাগাছ এলাকার পূর্বপাশ ঘেঁষে আরো পূর্ব দিকে তিস্তা রেলওয়ে সেতু অতিক্রম করে সোজা দক্ষিণ পূর্ব দিকে গাইবান্ধা জেলার ভিতর দিয়ে ব্রক্ষপুএ নদের সাথে মিশেছে ।

এই নদী পথ ধরে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ঘাট, বন্দর,হাট ও বাজারে ভিড়তো ছোট বড় নৌকা । চলতো বানিজ্য নৌকা, এখনও সেধারা অব্যাহত রয়েছে ।

 

মানাস নদীঃ কাউনিয়া উপজেলার প্রধান নদ-নদী তিস্তা হলেও কাউনিয়া বাসির একান্ত আপন, পরম সুহ্দদ, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, পেশার সাথী , চলার সাথী তিস্তার একমাএ শাখা নদী মানাস ।

এই মানাস নদী নিলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থেকে তিস্তার একটি শাখা নদী হিসাবে বেড়িয়ে এসে গোটা গঙ্গাচড়া উপজেল,রংপুর সদর ও কাউনিয়া উপজেলার  বিভিন্ন ইউনিয়নের ভিতর দিয়ে  একেবেকে  বয়ে গেছে । ইহার দৈর্ঘ্য প্রায়৮৮কিলোমিটার ।ইহা কোথাও কোথাও মরা মানাস নদী নামেও পরিচিত। 

 

ধুম নদীঃ কাউনিয়া উপজেলার উত্তর পশ্চিম দিকে অবস্থিত এই ধুম নদী। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই নদী হয়ে উঠবে এক আকর্ষণীয় পর্যটক এলাকা।

ছবি